সুহৃদ, আপনার সদয় অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, মোটবী ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নানা কর্মসূচি অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে। আপনাদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় ইতোমধ্যে এটি একটি কার্যকরী ইউআইএসসি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এবং এলাকার গণমানুষের ব্যাপক আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন প্রান্তিক মানুষ বিভিন্ন ধরনের সেবা গ্রহণ করে থাকে। ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র থেকে প্রতিনিয়ত অনলাইন কিংবা অফলাইন সেবাসহ যে কোন সেবার জন্য মানুষজন এখানে ছুটে আসে। বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সেনাবাহিনীসহ সকল সামরিক বাহিনীতে যোগদানের আবেদন এবং যে কোন সরকারী-বেসরকারী চাকুরীর অনলাইন বা অফলাইন আবেদন করতে পারায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেকটা লাঘব হয়েছে। বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ডাটা এন্ট্র্রি, জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার ইসিফ্ট ফরম পূরণ, স্বল্পমূল্যে ছবি তোলা, ফটোকপি, লেমেনেটিং, সকল প্রকার নাগরিক সনদ, সব ধরনের সরকারী ফরম, বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের মত নানা কাজ বিগত প্রায় তিন বছর ধরে মোটবী ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র করে আসছে। এলাকার শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের প্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে এ কেন্দ্র কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এখান থেকে এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী কম্পিউটার শিখে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত রয়েছে। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, উক্ত সেবাকেন্দ্র বহুমুখী ও কার্যকরী সেবা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে ফেনী জেলার বর্ষসেরা ইউআইএসসি পুরস্কার লাভ করে।
তাই বিগত দিনগুলোর মত আপনার প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কাজ ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র থেকে সম্পন্ন ও জনসচেতনতার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।
অধ্যাপক এম এ খালেক
চেয়ারম্যান
১১ নং মোটবী ইউনিয়ন
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস